Economy

দেশের মানুষের মাথাপিছু ঋণ ১ লাখ ২৯ হাজার ২৩৯ টাকা

og_1788694310_6a9d4f26bd51b
Foto : Sarah Garcia - banglalight.com
Table of Contents
  1. প্রতি নাগরিকের ঘাড়ে ঋণের বোঝা এক লাখ তিনশ’ হাজার টাকার ঊর্ধ্বে: সংসদে অর্থমন্ত্রীর বিস্তারিত তথ্য
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

প্রতি নাগরিকের ঘাড়ে ঋণের বোঝা এক লাখ তিনশ’ হাজার টাকার ঊর্ধ্বে: সংসদে অর্থমন্ত্রীর বিস্তারিত তথ্য

Banglalight.com – দ শ র ম ন ষ র – বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের মাথার ওপর ঋণের চাপ কতটা ভারী হয়ে উঠেছে, তার এক সুস্পষ্ট চিত্র সামনে এলো জাতীয় সংসদের অধিবেশন থেকে। ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত দেশের জনগণের মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক লাখ ২৯ হাজার ২৩৯ দশমিক ১৯ টাকায়। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী রোববার, ৬ সেপ্টেম্বর, সংসদ অধিবেশনে এ সংখ্যাটি তুলে ধরেন। সংখ্যাটি কেবল একটি পরিসংখ্যান নয় — এটি প্রতিটি পরিবারের আয়-ব্যয়ের ওপর পড়ছে চাপের প্রতীক, যা অর্থনীতির গভীরে বসে থাকা ঋণ-নির্ভরতার পরিমাপ।

সংসদীয় প্রশ্নোত্তরের প্রেক্ষাপট

এই তথ্য প্রকাশের প্রসঙ্গ ছিল সংসদের লিখিত প্রশ্নোত্তর অধিবেশন। কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহাম্মেদ অর্থমন্ত্রীর কাছে জানতে চেয়েছিলেন, বর্তমানে দেশের জনগণের মাথাপিছু ঋণের মাত্রা কত, ২০২৬ সালে তা কত ছিল, এবং ঋণের বোঝা হালকা করতে সরকার কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কাসেম কামাল।

বর্তমানে দেশের জনগণের মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ কত, 2026 সালে কত ছিল এবং ঋণের বোঝা কমাতে সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে?

এই প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত মাথাপিছু ঋণ দাঁড়িয়েছে এক লাখ ২৯ হাজার ২৩৯ দশমিক ১৯ টাকায়। সংখ্যাটি পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি নির্দেশ করে, যা দেশের ঋণ-অর্থনীতির দ্রুত সম্প্রসারণের প্রতিফলন।

সরকারের ঋণ-ব্যবস্থাপনা নীতি

অর্থমন্ত্রী জানান, সরকার তিনটি মূল স্তম্ভের ওপর জোর দিচ্ছে — প্রথমত, রাজস্ব আহরণে বৃদ্ধি; দ্বিতীয়ত, সরকারি অর্থের সুষ্ঠু ও দক্ষ ব্যবস্থাপনা; এবং তৃতীয়ত, ঋণ ব্যবস্থাপনাকে আরও সুশৃঙ্খল ও নিয়ন্ত্রিত করা। এই তিনটি অঙ্গসংখ্যা একে অপরের পরিপূরক, কারণ রাজস্ব বাড়লে ঋণের ওপর নির্ভরতা কমে, আর সুশৃঙ্খল ঋণ-নীতি অর্থনীতিকে অস্থিতিশীলতার ঝুঁকি থেকে দূরে রাখে।

বিশ্বে অনেক উন্নয়নশীল অর্থনীতিতে মাথাপিছু ঋণের এই মাত্রা অর্থনীতির গতিশীলতার লক্ষণ হিসেবে দেখা যায়, তবে ঋণের প্রবৃদ্ধি যদি আয়-বৃদ্ধির চেয়ে দ্রুত হয়, তবে তা পরিবারের আর্থিক সুরক্ষাকে হুমকির মুখে ফেলে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে, যেখানে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, কৃষক এবং শহুরে মধ্যবিত্ত সবাই ঋণের ওপর নির্ভরশীল, এই সংখ্যার তাৎপর্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকে খেলাপি ঋণের চিত্র

অধিবেশনের অন্য একটি প্রশ্নোত্তরে বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলীম জানতে চেয়েছিলেন রাষ্ট্রমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের পরিস্থিতি। অর্থমন্ত্রীর তথ্যমতে, এই ব্যাংকগুলোতে মোট খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকায়।

এই বিশাল পুঁজির মধ্যে সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণ জমিয়ে রেখেছে জনতা ব্যাংক পিএলসি — সংস্থাটির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৭৫ হাজার ৩৯৬ কোটি ৬৭ হাজার টাকা। অর্থমন্ত্রী গত ৩০ জুনের হিসাব তুলে ধরে প্রতিটি ব্যাংকের খেলাপি ঋণের বিস্তারিত তুলে ধরেন:

অগ্রণী ব্যাংক পিএলসিতে খেলাপি ঋণ ২৯ হাজার ২৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসিতে এই সংখ্যা দাঁড়িয়ে ৮ হাজার ৮৮ কোটি ৭৯ লাখ টাকায়। বেসিক ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণ ৮ হাজার ১৩১ কোটি টাকা। রূপালী ব্যাংক পিএলসিতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১৯ হাজার ২৮১ কোটি ৭৪ হাজার টাকা। আর সোনালী ব্যাংক পিএলসিতে এই সংখ্যা দাঁড়িয়ে ১৫ হাজার ৪৮ কোটি ৩৯ হাজার টাকায়।

খেলাপি ঋণের প্রভাব ও পথসংকেত

রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকগুলো দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ডে কাজ করে — ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, কৃষক, মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠান, এমনকি বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানও এই ব্যাংকগুলোর ঋণ-সেবার ওপর নির্ভরশীল। যখন এই ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ এক লাখ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে দাঁড়ায়, তখন নতুন ঋণ প্রদানের ক্ষমতা সংকুচিত হয়, সুদহার বৃদ্ধি পায়, এবং অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে তরলতার অভাব দেখা দেয়।

জনতা ব্যাংকের খেলাপি ঋণ মোট খেলাপির প্রায় অর্ধেকেরও বেশি, যা একটি ব্যাংকের ঋণ-নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায়

Frequently Asked Questions

What is দ শ র ম ন ষ র?

দ শ র ম ন ষ র is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does দ শ র ম ন ষ র matter?

দ শ র ম ন ষ র matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment