National

‘বাংলাদেশের খাবার মানেই ভেজাল, এই ধারণাই বড় চ্যালেঞ্জ’

og_1789069941_6aa30a75e8d1b
Foto : Anthony Davis - banglalight.com
Table of Contents
  1. বাংলাদেশের খাবার নিয়ে ভেজালের ধারণা বড় চ্যালেঞ্জ
  2. ঝুঁকিভিত্তিক পরিদর্শন ব্যবস্থার দাবি
  3. প্রশ্নোত্তর
  4. Related Reading
  5. Frequently Asked Questions

বাংলাদেশের খাবার নিয়ে ভেজালের ধারণা বড় চ্যালেঞ্জ

Banglalight.com – ব ল দ শ র খ ব – বাংলাদেশের খাবার মানেই ভেজাল—মানুষের মধ্যে থাকা এমন ধারণা খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। খাদ্যে ভেজাল, নকল পণ্য বাজারজাত এবং অতিরিক্ত মুনাফার প্রবণতা মানসম্মত উৎপাদকদের নিরুৎসাহিত করছে বলেও তারা মনে করেন।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশনের (বাপা) ফুডপ্রো ইন্টারন্যাশনাল এক্সপোর ১১তম আসরে ‘বাংলাদেশ ফুড ইন্ডাস্ট্রি: চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড ওয়ে ফরোয়ার্ড’ শীর্ষক টেকনিক্যাল সেশনে এসব বিষয় উঠে আসে। সেশনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. ইকবাল রউফ মামুন।

নকল পণ্য ও আইনের অপব্যবহার

ড. ইকবাল রউফ মামুন বলেন, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের সবচেয়ে বিব্রতকর সমস্যাগুলোর একটি হলো ভেজাল ও নকল খাবার। কোনো প্রতিষ্ঠানের পণ্য জনপ্রিয় হলেই জিঞ্জিরা থেকে একই ধরনের প্যাকেটে নকল পণ্য তৈরির তৎপরতা শুরু হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

তার ভাষ্য, একই ধরনের পণ্য হলেও নামের বানানে সামান্য পরিবর্তন এনে অন্য প্রতিষ্ঠানের মতো পণ্য উৎপাদন এবং লাইসেন্স নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। এতে প্রকৃত ও মানসম্মত খাদ্য উৎপাদনকারীরা ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। বাংলাদেশের খাবার সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা দূর করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।

ঝুঁকিভিত্তিক পরিদর্শন ব্যবস্থার দাবি

খাদ্য পরিদর্শন ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ড. মামুন বলেন, দেশে ফুড ইন্সপেকশনের চেয়ে হয়রানির অভিযোগ বেশি শোনা যায়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঝুঁকিভিত্তিক খাদ্য পরিদর্শন ব্যবস্থা চালু হলেও বাংলাদেশে এখনো এন্ড-প্রোডাক্টভিত্তিক পরিদর্শন পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

“কাউকে বিপদে ফেলা কখনো কোনো সৎ উদ্দেশ্য হতে পারে না।”

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পরিচালক মিস উজমা চৌধুরী বলেন, একেক পণ্যের ফুড সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট একেক রকম। এ ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়ন কঠিন হলেও প্রতিষ্ঠানগুলো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে অনেক ক্ষেত্রে সঠিক প্রযুক্তিগত জ্ঞানের অভাবও সমস্যা তৈরি করে।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, দেশের ফুড সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট ঢেলে সাজাতে হবে এবং এ কাজে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। মানুষের ব্যস্ততা ও উন্নয়নের সঙ্গে প্রক্রিয়াজাত খাবারের ব্যবহার বাড়বে; ফলে বাংলাদেশের খাবার খাতে উন্নয়ন ও রপ্তানির বড় সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, খাদ্য খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা প্রয়োজন। মোবাইল কোর্ট অভিযানের প্রচার নিয়েও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ছোট কোনো বিষয়কে অতিরঞ্জিত না করে খাবারটি বাস্তবে নিরাপদ কি না, সেদিকেই মূল নজর দেওয়া উচিত। একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বাপার সাধারণ সম্পাদক ছৈয়দ মুহাম্মদ শোয়াইব হাছানসহ সংশ্লিষ্ট খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এবারের বাপা ফুডপ্রো ইন্টারন্যাশনাল এক্সপোর ১১তম আসরে ২৭ দেশের দুই শতাধিক ব্র্যান্ড অংশ নিয়েছে।

প্রশ্নোত্তর

বাংলাদেশের খাবার নিয়ে ভেজালের ধারণা কেন উদ্বেগের?

এ ধারণা ভোক্তার আস্থা কমায় এবং মানসম্মত খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে।

খাদ্য নিরাপত্তা উন্নয়নে কী প্রয়োজন?

ঝুঁকিভিত্তিক পরিদর্শন, কার্যকর সমন্বয়, সঠিক প্রযুক্তিগত জ্ঞান এবং ভেজাল ও নকল পণ্যের বিরুদ্ধে উদ্যোগ প্রয়োজন বলে আলোচনায় মত উঠে এসেছে।

Frequently Asked Questions

What is ব ল দ শ র খ ব?

ব ল দ শ র খ ব is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ব ল দ শ র খ ব matter?

ব ল দ শ র খ ব matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment