AMP
Banglalight
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

রামিসা হত্যা মামলার বিচার শুরু ঈদের পর: আইনমন্ত্রী

Published May 23, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Anthony Martinez - banglalight.com

Foto : Anthony Martinez - banglalight.com

রামিসা হত্যা মামলার বিচার শুরু ঈদের পর: আইনমন্ত্রী

প্রসঙ্গ ও সামগ্রিক প্রস্তুতি

Banglalight.com – র ম স হত য ম মল - র ম স হত য ম মামলার প্রক্রিয়া ঈদের পর শুরু হতে চলছে বলে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ঘোষণা করেন। তিনি বলেন যে ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) টেস্টের রিপোর্ট পেলে পুলিশ তুরপুর চার্জশিট প্রস্তুত করবে এবং মামলার বিচার দ্রুত পরিচালিত হবে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে রামিসা হত্যা মামলার বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত করা উচিত এবং সেই কাজ ঈদের পর শুরু হতে চলছে। আইনমন্ত্রী বলেন, ডিএনএ রিপোর্ট ছাড়া চার্জশিট দিলে ভবিষ্যে বিচার প্রক্রিয়া আইনী সংশয় তৈরি করতে পারে।

তিনি যোগ করেন যে এই মামলায় আইনী সংশয় দূর করতে আইন প্রণীত পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। যেহেতু ডিএনএ টেস্ট পরিচালনা করা হয়েছে, তাই এই সাক্ষ্য বিচার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আইনমন্ত্রী জানান যে সব কাজ ঠিক নিয়ন্ত্রণে চলছে এবং ঈদের আগে মামলার প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব। এই প্রস্তুতি প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে একটি নতুন আইন প্রস্তাব প্রবর্তনের পরিপ্রেক্ষিতে।

পুলিশের তদন্ত ও ক্রমবর্ধমান প্রক্রিয়া

গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মিরপুরের পল্লবী থানার স্থানে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ উদ্ধার করা হয়। পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথার খোঁজ পাওয়া যায়। রামিসার হত্যার ঘটনার সাক্ষ্য প্রক্রিয়ায় এখন চার্জশিট তৈরির অংশ হয়ে উঠছে। র ম স হত য ম মামলায় আইনমন্ত্রী জানান যে পুলিশ অবিলম্বে চার্জশিট প্রস্তুত করবে এবং বিচার ক্রমবর্ধমান হবে।

পুলিশ তদন্ত বিষয়ে আইনমন্ত্রী একটি নীতি প্রস্তাব প্রকাশ করেন। তিনি বলেন যে র ম স হত য ম ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত করা জরুরি। এই ক্ষেত্রে ডিএনএ রিপোর্ট পেলে বিচার প্রক্রিয়া আইনী ভাবে গতিশীল হবে। কর্মকর্তারা বিচার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন এবং প্রতিটি ধাপ অগ্রসর হচ্ছে একটি নিরাপদ প্রক্রিয়ায়।

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান উল্লেখ করেন যে উচ্চ আদালতে মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের প্রক্রিয়া দ্রুত করা উচিত। বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড হওয়ার পর হাইকোর্টে পেপার বুক তৈরি করা সময়সীমা বাড়িয়ে চূড়ান্ত রায় পেতে বিলম্ব হতে পারে। সেই কারণে সরকার র ম স হত য ম মামলার প্রক্রিয়া ত্যাগ করছে না।

রামিসার হত্যার ঘটনায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার দুই আসামি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। প্রথম কাজে পুলিশ সোহেল রানার স্ত্রীকে গ্রেফতার করে এবং পরে সোহেল রানাকে আটক করে মামলার বিচার প্রক্রিয়া গ্রহণ করেন। শিশু রামিসার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার সাক্ষ্য প্রক্রিয়ায় সোহেল রানার নাম প্রস্তাবিত হয়।

তদন্ত বিষয়ে পুলিশ তাদের বিচার করতে পারে। র ম স হত য ম মামলায় সব অনুসন্ধান করা হয়েছে। বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অপরাধী বিচার করা হবে। সাথে সাথে এই ঘটনার ব