AMP
Banglalight
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

‘বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে সিসিক’

Published May 12, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Patricia Gonzalez - banglalight.com

Foto : Patricia Gonzalez - banglalight.com

‘বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে সিসিক’

Banglalight.com – বর জ যক সম পদ র প - বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের জন্য নতুন পদ্ধতি গ্রহণ করে সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) প্রস্তুতি নিচ্ছে। সিসিকের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিকে আধুনিক ও স্থায়ী করার জন্য নতুন পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি জানান, স্থানান্তরিত বর্জ্য থেকে বায়ো-প্রোডাক্ট উত্পাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা পরিবেশ সংরক্ষণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন উভয় ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলবে। এই পরিকল্পনার মাধ্যমে বর্জ্য মুক্ত সিলেট গড়ার লক্ষ্য সিসিকের মূল লক্ষ্য।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনার টেকসই পদ্ধতি

সিসিকের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বুধবার (০৬ মে) একটি কর্মশালায় বলেন, “বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে। নীতিমালা ২০২১ অনুযায়ী আমরা ‘রিডিউস, রিইউজ ও রিসাইকেল’ পদ্ধতি প্রয়োগ করছি। এছাড়াও সার্কুলার ইকোনমি বাস্তবায়নে কাজ করছি।” তিনি আরও জানান যে আগামী পাঁচ বছরের মেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনা করে বর্জ্য সম্পদ পরিচালনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের মাধ্যমে সম্পাদিত প্রক্রিয়া সাধারণ নাগরিকদের অংশগ্রহণ প্রস্তুত করবে এবং ভবিষ্যতে নগরীতে সাবলীল ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।

সিসিকের পরিকল্পনায় বর্জ্য সম্পদ পরিচালনার স্থায়ী সমাধান খুঁজা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, “বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ভূমিকায় সম্পাদিত প্রক্রিয়া দ্বারা আমরা অবিশ্বাস্য পরিবেশ রক্ষা করতে পারব এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন উভয় ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি লাভ করব।”

বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতা প্রাপ্ত হয়েছে

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কর্মশালায় বর্জ্য সম্পদ রূপান্তরের উদ্যোগ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা চালানো হয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের অংশ হিসেবে বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের উদ্যোগ বাস্তবায়নে সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলির সহযোগিতা বর্বর হয়েছে। নগরীর পরিবেশ বান্ধব গড়ে তোলার লক্ষ্যে বর্জ্য মুক্ত সিলেট গড়ার জন্য আবেদন করা হয়েছে কারিগরি সহযোগিতা।

এই উদ্যোগের প্রকৃত স্বরূপ অনুসারে বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের বিভিন্ন কাজের বিষয়ে আলোচনা চালানো হয়েছে। তার মধ্যে প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর বলেন, “সাবলীল পরিবেশ রক্ষার জন্য বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের প্রক্রিয়া সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে বিস্তার করা হবে। বর্জ্য সম্পদ রূপান্তরের উদ্যোগ দ্বারা আমাদের পরিবেশ সংকট কমিয়ে নগরীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব হবে।”

সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, “বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের মাধ্যমে সার্কুলার ইকোনমি বাস্তবায়ন করতে পারব এবং আমাদের নগরী সম্পূর্ণ ভাবে পরিবে