AMP
Banglalight
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

তিস্তা ব্যারাজের কাজেও হাত দেবে বিএনপি সরকার : প্রধানমন্ত্রী

Published May 21, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Anthony Davis - banglalight.com

Foto : Anthony Davis - banglalight.com

তিস্তা ব্যারাজের কাজেও হাত দেবে বিএনপি সরকার : প্রধানমন্ত্রী

গাজীপুরে সমাবেশে বক্তব্য

Banglalight.com – ত স ত ব য র জ - ২০ মে দুপুরে গাজীপুরে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ভবনে তিস্তা ব্যারাজের নির্মাণ ও পদ্মা ব্যারাজের কাজ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মন্তব্যের মূল কথা নীচে প্রকাশ করা হলো।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, “আমি পরিষ্কারভাবে জানাচ্ছি, এই বিএনপি সরকারই পদ্মা ব্যারাজের কাজ করবে। ইনশাল্লাহ তিস্তা ব্যারাজের কাজ পরে সম্পন্ন হবে। আজকে বিএনপি সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রীর পরিচালনায় তিস্তা নিয়ে নানা কর্মসূচি চালু করেছে। তাই কাজ যদি কেউ করে থাকে, ডেলিভারি যদি কেউ করে থাকে, সেটা বিএনপিই করেছে।”

তিনি আরও বলেন, “বর্ষায় বা খরা মৌসুমে আমাদের দেশের মানুষ ও কৃষক সঠিক সময়ে পানি পাবে এই উদ্দেশ্যে পদ্মা ব্যারাজ তৈরি করতে হবে। বিভিন্ন ভাবে সীমান্তের ওপারে পানি সরিয়ে নিচ্ছে ব্যারাজ তৈরি করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ফারাক্কা বাঁধের প্রতিক্রিয়া

ফারাক্কা বাঁধ হওয়ার কারণে সমুদ্রের পানি দক্ষিণ অঞ্চলে প্রবেশ করছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। সেখানে বর্ষার বাড়তি পানি ধরে রাখার জন্য ব্যারাজ নির্মাণ করা হচ্ছে।

“বিভিন্ন স্থানে লবণাক্ত পানি চলে আসায় গাছপালা ও পশু বিলুপ্ত হচ্ছে। কাজেই আমাদের ব্যারাজ তৈরি করতে হবে এবং তাতে পানি ধরে রাখা যাবে।”

বাংলাদেশে আবহাওয়া পরিবর্তন

আবহাওয়া পরিবর্তন হচ্ছে বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আরও বলেন, “জানুয়ারি মাসেও শীত কম পড়ে। আমার মনে আছে, স্কুলে পড়ার সময় ২৬শে মার্চে প্রোগ্রাম হতো এবং সেখানে সুন্দরবনের সাথে পানি সম্পর্কে গবেষণা করার প্রয়োজন আছে।”

“আজকে আমাদের স্থানটি গুরুত্বপূর্ণ। কিছুদিন আগে কক্সবাজার থেকে উখিয়া পর্যন্ত রাস্তা করার কথা পত্রিকায় দেখেছি। রাস্তার ডিজাইনের কারণে প্রায় তিন হাজার গাছ কেটে ফেলতে হবে। সেটি মন্ত্রীকে বলেছি ইঞ্জিনিয়ারদের সাথে কথা বলে গাছ না কেটে কাজ করতে।”

খাল খনন কর্মসূচি

বর্তমানে কৃষি ব্যাহত হচ্ছে বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গুলশান এলাকায় ছোটবেলায় মাটির ২০-২৫ ফিট গেলেই পানি বের হতো। এখন পানি পেতে মাটির ৬০০-৭০০ ফিট গভীরে যেতে হয়। সেখা�