AMP
Banglalight
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

এসএসসি জানুয়ারিতে ও এইচএসসি পরীক্ষা জুনে: শিক্ষামন্ত্রী

Published May 14, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Anthony Martinez - banglalight.com

Foto : Anthony Martinez - banglalight.com

শিক্ষামন্ত্রী ঘোষণা করেন এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার নতুন সময়সূচি

Banglalight.com – এসএসস জ ন য় র ত ও - বুধবার, ১৩ মে বিকেলে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির গাজীপুর বোর্ড বাজার ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত ‘শ্রেষ্ঠত্ব’ পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, আগামী বছরে এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে ও এইচএসসি পরীক্ষা জুন মাসে নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, করোনা মহামারি এবং অন্যান্য কারণে গত কয়েক বছরে শিক্ষাব্যবস্থায় সেশনজট তৈরি হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এই সমস্যা ধীরে ধীরে সামনে আনতে কাজ করছে। শিক্ষার্থীদের চাপ কমানো এবং পাঠদান কার্যক্রম সুশৃঙ্খল রাখার জন্য বাস্তবসম্মত সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা নেওয়ার সময় যাতে কোনো শিক্ষার্থী জীবনে অতিরিক্ত সময় নষ্ট না করে, সেটি সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ।

ডিসেম্বরে পাবলিক পরীক্ষা আয়োজনের পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু শিক্ষার্থীদের প্রতিবেদনে সেটি রদ করা হয়। তাদের মতে, এক বছরে চার মাস সময় কমিয়ে দিলে শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি হতে পারে এবং চাপ বেড়ে যাবে।

আইইউটির উপাচার্য ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা সভায় বক্তব্য রাখেন। পরে মন্ত্রী বিশেষ কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ও সার্টিফিকেট প্রদান করেন।

সেই দিন শিক্ষামন্ত্রণালয়ে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি নিয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। অধিকাংশ শিক্ষার্থী ও অভিভাবক ডিসেম্বরে পরীক্ষা আয়োজনের বিরোধিতা করেন। তাদের মতে, সময়সূচি সাময়িক ভাবে পরিবর্তন করা স্থায়ী সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

শিক্ষামন্ত্রী উল্লেখ করেন, পরবর্তী বছরগুলোতে সময়সূচি সম্পূর্ণ করে পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে আয়োজনের লক্ষ্য রয়েছে। সরকার প্রতিটি সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে শিক্ষার্থীদের চাপ বৃদ্ধি পেলে তা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না, সেটিই প্রাথমিক গুরুত্ব রয়েছে।

সময়সূচি নির্ধারণ করতে মন্ত্রণালয় ও নীতিনির্ধারকদের কারণে ধাপে ধাপে কাজ করছে। লক্ষ্য রাখা হয়েছে, প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ক্যালেন্ডার ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করা।