ঈদুল আজহার উপলক্ষে বিশেষ ট্রেনের পরিচালনা বাংলাদেশ রেলওয়ে ঘোষণা
ঈদ ল আজহ য় চলব ১০ জ – ঈদ ল আজহ য় চলব ১০ জোড়া বিশেষ ট্রেন বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রস্তুতিমূলক বৈঠকে ঘোষণা করেছে। এ সিদ্ধান্ত গত ৩০ এপ্রিল অনুমোদিত হয়েছিল এবং এগুলো ঈদুল আজহার উপলক্ষে বিশেষ যাতায়াত সুবিধাজনক করার জন্য পরিকল্পিত হয়েছে। এ বিশেষ ট্রেনগুলি ঈদ ল আজহ য় চলবে এবং বিশেষ যাত্রার জন্য কেন্দ্রীয় স্থানগুলোতে পরিবহন স্থিতিশীল রাখার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হবে।
বিশেষ ট্রেনের বিস্তারিত তথ্য
বর্তমান বছরেও পূর্ণ অগ্রিম টিকিট অনলাইন মাধ্যমে প্রদান করা হবে। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল যে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে ১৩ মে থেকে এবং যাত্রা সম্পন্ন হবে ২৩ মে। এটি ঈদ ল আজহ য় চলবে এবং মানুষের ঘুরে বেড়ানোর জন্য বিশেষ স্থানগুলোর মধ্যে সমন্বিত যাতায়াত সুবিধা দেবে।
ঈদের পরে ফিরতি যাত্রার জন্য টিকিট বিক্রি শুরু হবে ২১ মে থেকে। যাত্রার সময় ঈদ ল আজহ য় চলবে এবং সম্পূর্ণ সরঞ্জামে বিশেষ ট্রেনগুলো দুই দিকে পরিচালিত হবে। যেমন, চাঁদপুর রুটে চাঁদপুর ঈদ স্পেশাল-১ ট্রেনটি চট্টগ্রাম থেকে বিকাল ৩টা ৩০ মিনিটে যাত্রা শুরু করে চাঁদপুর পৌঁছবে রাত ৮টা ২০ মিনিটে। চাঁদপুর ঈদ স্পেশাল-২ ট্রেনটি চাঁদপুর থেকে বিকাল ৪টায় চট্টগ্রাম পৌঁছবে সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে।
ঢাকা ও দেওয়ানগঞ্জ রুটে তিস্তা স্পেশাল-৩ ট্রেনটি সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে ঢাকা থেকে ছেড়ে দেওয়ানগঞ্জ পৌঁছবে বিকাল ৪টা ১০ মিনিটে। তিস্তা স্পেশাল-৪ ট্রেনটি দেওয়ানগঞ্জ থেকে বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে ঢাকা পৌঁছবে রাত ১১টা ২০ মিনিটে। এসব ট্রেন ঈদ ল আজহ য় চলবে এবং অতিবাহিত পরিবহন প্রবল করার জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
ভৈরববাজার-কিশোরগঞ্জ রুটে শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল-৫ ট্রেনটি ময়মনসিংহ থেকে ভোর ৫টা ৪৫ মিনিটে ছেড়ে কিশোরগঞ্জ পৌঁছবে সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে। এখানে ঈদ ল আজহ য় চলবে এবং প্রতিদিনের কাজে বিশেষ সময়ে পরিবহন গুরুতর সমস্যা দূর করা হবে। স্পেশাল-৬ ট্রেনটি কিশোরগঞ্জ থেকে দুপুর ১২টায় ছেড়ে দিবে এবং সম্পূর্ণ রাজধানী থেকে ঈদ ল আজহ য় চলবে এবং যাতায়াতের সুবিধা অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
ট্রেনের উদ্দেশ্য এবং বিস্তারিত পরিচালনা
ঈদ ল আজহ য় চলবে এবং মানুষের ঘুরে বেড়ানোর জন্য এগুলো বিশেষ মানের পরিচালনা করা হবে। বাংলাদেশ রেলওয়ে পরিচালনা করা হবে এবং মূল স্থানগুলো থেকে অতিবাহিত পরিবহন প্রবল করেছে। ট্রেনগুলো সমুদ্র থেকে মাটিতে পরিবহন বাড়ানোর উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ে আধুনিক সময়ে গুরুতর পরিবহন সমস্যা দূর করতে ঈ