বিএনপির ইতিহাস কোনোভাবেই মুছে ফেলা সম্ভব নয়: প্রধানমন্ত্রী
বিএনপির ৪৮ বছরের রাজনৈতিক সফর: ইতিহাসকে মুছতে দেব না — তারেক রহমান
Banglalight.com – ব এনপ র ইত হ স ক - বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি দলের অস্তিত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা কি সম্ভব? এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর বিকেলে দলটির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত একটি আলোচনা সভায় তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন — বিএনপির রাজনৈতিক পথচলা ও দেশের স্বাধীনতার সঙ্গে এর অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক কোনো আইনি বা ন্যায়িক প্রক্রিয়ায়ই মুছে ফেলা যাবে না।
স্বাধীনতার ঘোষণা ও দলের মূল ভিত্তি
সভায় সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো একটি আলোচনার উদ্ধৃতি তুলে ধরে তারেক রহমান দলটির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকা নিয়ে সরাসরি কথা বলেন। তিনি বলেন, বিএনপি বাংলাদেশের স্বাধীনতার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত — কারণ এই দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন ঠিক এই দলেরই প্রতিষ্ঠাতা।
"সো, ইট ইজ ডান। এটাকে কোনোভাবে, যে যতই চেষ্টা করুক, আইন-আদালত যা দিয়েই চেষ্টা করুক, কোনোভাবেই এ ইতিহাস মুছে ফেলা যাবে না।"
এই বক্তব্যের পেছনে রয়েছে একটি গভীর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে লক্ষ লক্ষ মানুষ জীবন উৎসর্গ করেছিল স্বাধীনতার আহ্বানে। কিন্তু স্বাধীনতা লাভের পর জনগণ গণতন্ত্রের প্রকৃত স্বাদ পায়নি। বরং একদলীয় শাসনের অভিজ্ঞতাই তখন দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ক্ষমতা গ্রহণের পর এই একদলীয় কাঠামো ভেঙে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেন — এক ধরনের রাজনৈতিক পুনর্গঠন, যা তারেক রহমানের ভাষায় "হোয়াট ইজ ডান, ক্যান্ট বি আনডান" নীতির বাস্তবায়ন।
জিয়াউর রহমানের উত্তরাধিকার: গণতন্ত্র, অর্থনীতি ও শ্রমবাজার
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই বিশেষ মুহূর্তে তারেক রহমান শুধু রাজনৈতিক গণতন্ত্রের কথাই বলেননি। তিনি রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলে মুক্তবাজার অর্থনীতি চালু হওয়ার এবং বিদেশে শ্রমবাজার তৈরির উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। এই দুই নীতিই পরবর্তী দশকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরের ভিত্তি স্থাপন করেছিল। শ্রমবাজারের মাধ্যমে দেশে প্রবাহিত আয়-রোজগারের ধারা, যা আজও কোটি মানুষের জীবিকার অংশ, তার উৎস এই সময়েই বসেছিল।
খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মসূচি
সভায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শাসনকালও আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়। সংসদীয় গণতন্ত্রের সুদৃঢ় প্রতিষ্ঠান, টেকসই গণতন্ত্রের ধারণা, নারীশিক্ষার ব্যাপক সম্প্রসারণ, বিকাশমান অর্থনীতি এবং নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতার শান্তিপূর্ণ হস্তান্তর — এসব কর্মসূচি তারেক রহমানের বক্তব্যে দলের ঐতিহাসিক অবদানের অংশ হিসেবে উপস্থাপিত হয়।
সংকটের মুখে দলের ভূমিকা
তারেক রহমানের বক্তব্যের একটি মূল স্তম্ভ হলো এই ধারণা যে, দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক মুক্তির প্রতিটি সংকটমুহূর্তে জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া এবং বিএনপি দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়েছে। তিনি দাবি করেন, সংকট থেকে বেরিয়ে আসার পথ এই দলেরই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে লুকিয়ে আছে।
১৬ বছরের স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রাম
গত ১৬ বছরের ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে জনগণের
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is ব এনপ র ইত হ স ক?ব এনপ র ইত হ স ক is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does ব এনপ র ইত হ স ক matter?ব এনপ র ইত হ স ক matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.