AMP
Banglalight
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

দোকান নেই তবুও এমএফএস অ্যাকাউন্ট, অনলাইন জুয়ার টাকা লেনদেন

Published September 16, 2026 · Updated September 16, 2026 · By Lisa Gonzalez - banglalight.com

Foto : Lisa Gonzalez - banglalight.com

ভুয়া এমএফএস অ্যাকাউন্টে অনলাইন জুয়ার অর্থ লেনদেনের অভিযোগে আরও দুজন গ্রেফতার

Banglalight.com – দ ক ন ন ই তব ও - অস্তিত্বহীন দোকানের পরিচয় ব্যবহার করে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) অ্যাকাউন্ট খোলা এবং সেই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অনলাইন জুয়ার অর্থ লেনদেনের অভিযোগে আরও দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন সজীব দে (৩৭) ও মো. মাসুদ রানা (৩০)।

ঢাকার রামপুরা এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. ছুফি উল্লাহ গ্রেফতার ও তদন্তের তথ্য তুলে ধরেন।

রামপুরার প্রতিষ্ঠানে অভিযান

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সিআইডি রামপুরার ৬৭, পূর্ব হাজীপাড়ায় অবস্থিত এসএস কর্পোরেশন নামের একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায়। প্রতিষ্ঠানটি নগদ হাউজ হিসেবে পরিচিত। অভিযান চলাকালে সেখান থেকে সজীব দে ও মাসুদ রানাকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছে থাকা দুটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দুজনই ভুয়া এমএফএস অ্যাকাউন্ট খোলার কাজে সহযোগিতা এবং সেসব হিসাব অনলাইন জুয়ার কার্যক্রমে ব্যবহারের সুযোগ করে দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন সিআইডির এই কর্মকর্তা। এ কার্যক্রম থেকে তারা আর্থিক সুবিধা পেয়েছেন বলেও প্রাথমিকভাবে উঠে এসেছে।

দোকান ছাড়াই খোলা হতো অ্যাকাউন্ট

তদন্তে সিআইডি এমন একটি কৌশলের তথ্য পেয়েছে, যেখানে প্রকৃত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বদলে ভুয়া বা অস্তিত্বহীন দোকানের বিবরণ ব্যবহার করা হতো। ওই তথ্যের মাধ্যমে এমএফএস উদ্যোক্তা সিম ও অ্যাকাউন্ট খোলা হতো। কিছু ক্ষেত্রে যেখানে দোকানের বাস্তব উপস্থিতি ছিল না, সেখানেও হিসাব তৈরির অভিযোগ রয়েছে।

মোবাইল আর্থিক সেবার উদ্যোক্তা হিসাব সাধারণত গ্রাহকের লেনদেনে সহায়তার জন্য ব্যবহৃত হয়। কিন্তু অভিযোগের এই ঘটনায় এমন হিসাবকে অবৈধ অর্থ গ্রহণ ও সরানোর মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে একটি বৈধ আর্থিক সেবার কাঠামো অপব্যবহারের ঝুঁকিও সামনে এসেছে।

সিআইডির ভাষ্য, অনলাইন জুয়ায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে এসব অ্যাকাউন্টে টাকা নেওয়া হতো। পরে সেই অর্থ বিভিন্ন পদ্ধতিতে দেশের বাইরে পাঠানো হতো বলে তদন্তে তথ্য মিলেছে। অর্থাৎ, অভিযোগের পরিধি শুধু অনলাইন বেটিংয়ের অর্থ লেনদেনে সীমিত নয়; এর সঙ্গে অবৈধ অর্থপাচারের বিষয়টিও যুক্ত রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার

সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের (সিপিসি) সাইবার মনিটরিং সেল নিয়মিত অনলাইন পর্যবেক্ষণ ও প্রাথমিক অনুসন্ধানের সময় চক্রটির কার্যক্রমের সন্ধান পায়। তদন্তে দেখা যায়, দেশে এবং দেশের বাইরে অবস্থানকারী সদস্যদের নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছিল।

চক্রটি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বেটিং ওয়েবসাইটের বিজ্ঞাপন ছড়িয়ে মানুষকে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করত। অনলাইনভিত্তিক এই প্রচারণা ব্যবহারকারীদের দ্রুত আকৃষ্ট করতে পারে, বিশেষ করে যখন লেনদেনের মাধ্যম সহজলভ্য বলে দেখানো হয়। তাই সন্দেহজনক বেটিং প্রচার, অচেনা লিংক এবং অস্বাভাবিক লেনদেনের অনুরোধের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা গুরুত্বপূর্ণ।

ভুয়া পরিচয় বা কাগুজে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য ব্যবহার করে আর্থিক হিসাব খোলার অভিযোগ থাকলে তা শনাক্ত করা কঠিন হতে পারে। এ কারণে হিসাব খোলার সময় ব্যবসার প্রকৃত অস্তিত্ব, উদ্যোক্তার পরিচয় এবং লেনদেনের ধরন যাচাইয়ের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়।

আগেও চারজন গ্রেফতার

এই চক্রের বিরুদ্ধে সিআইডির অভিযান নতুন নয়। গত ২ সেপ্টেম্বর একই দলের চার সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরে তদন্তের ধারাবাহিকতায় সজীব দে ও মাসুদ রানার সম্পৃক্ততার তথ্য সামনে আসে।

এ ঘটনায় ৩১ আগস্ট পল্টন মডেল থানায় মামলা করে সিআইডি। মামলাটির তদন্ত এখনো চলমান। জব্দ করা মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য তথ্য যাচাই করে চক্রটির অর্থ লেনদেনের পথ, সংশ্লিষ্ট হিসাব এবং সম্ভাব্য সহযোগীদের বিষয়ে আরও তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।

মো. ছুফি উল্লাহ জানিয়েছেন, অনলাইন বেটিং ও অবৈধ অর্থপাচারের সঙ্গে যুক্ত অন্য সদস্যদের শনাক্ত করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। চক্রটির সদস্যরা কোথায় অবস্থান করতেন, কীভাবে অনলাইন প্রচারণা চালাতেন এবং অর্থ দেশের বাইরে পাঠানোর জন্য কোন কোন মাধ্যম ব্যবহার করতেন—এসব বিষয়ও তদন্তের আওতায় রয়েছে।

সতর্কতার প্রয়োজন

ডিজিটাল লেনদেনের সুবিধা যেমন দ্রুত অর্থ পাঠানো ও গ্রহণকে সহজ করেছে, তেমনি পরিচয় গোপন করে বা ভুল তথ্য ব্যবহার করে অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগও তৈরি করেছে। অনলাইন জুয়া বা বেটিংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত কোনো লেনদেনের প্রস্তাব এলে ব্যবহারকারীদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন। ব্যক্তিগত এমএফএস নম্বর, পিন বা পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য অন্যের কাছে দেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগের আইনগত নিষ্পত্তি হয়নি। তবে সিআইডির চলমান অনুসন্ধানে ভুয়া এমএফএস অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে অনলাইন জুয়ার অর্থ সরানোর একটি সংগঠিত ব্যবস্থার অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is দ ক ন ন ই তব ও?

দ ক ন ন ই তব ও is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does দ ক ন ন ই তব ও matter?

দ ক ন ন ই তব ও matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.