AMP
Banglalight
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

দায়িত্ব বাড়ল সালাহউদ্দিন আহমেদ ও মঈন খানের

Published September 11, 2026 · Updated September 11, 2026 · By Lisa Gonzalez - banglalight.com

Foto : Lisa Gonzalez - banglalight.com

সংসদীয় কার্যক্রমে অতিরিক্ত দায়িত্ব পেলেন সালাহউদ্দিন আহমেদ ও মঈন খান

Banglalight.com – দ য ত ব ব ড ল - ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলার সময়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের সংসদ-সংক্রান্ত কাজ পরিচালনায় বিকল্প দায়িত্ব বণ্টন করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। যেসব মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা কার্যালয়ে বর্তমানে মন্ত্রী কিংবা প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ নেই, সেগুলোর পক্ষে সংসদে প্রয়োজনীয় কার্যাবলি সম্পন্ন করতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীদের নাম ও বিকল্প ব্যবস্থার বিস্তারিত জানানো হয়। এতে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বাধীন কয়েকটি দপ্তর এবং রাষ্ট্রপতির কার্যালয়সহ সাংবিধানিক ও সংসদীয় প্রতিষ্ঠানের কাজের জন্য পৃথক দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বাধীন দপ্তরে সালাহউদ্দিন আহমেদ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদকে অধিবেশনকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সংসদীয় কার্যাবলি দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এসব দপ্তর নিয়ে সংসদে প্রশ্নোত্তর, আলোচনার জবাব, প্রয়োজনীয় নথি উপস্থাপন কিংবা সংসদীয় প্রক্রিয়ায় যেসব পদক্ষেপ দরকার হবে, সেসব ক্ষেত্রে তিনি দায়িত্ব পালন করবেন।

একজন মন্ত্রীর ওপর একাধিক দপ্তরের সংসদীয় দায়িত্ব অর্পণ করার অর্থ হলো, সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর কাজ অধিবেশন চলাকালে প্রতিনিধিত্বহীন থাকবে না। সংসদীয় জবাবদিহি ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এ ধরনের বিকল্প দায়িত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সালাহউদ্দিন আহমেদ উপস্থিত না থাকলে দুই মন্ত্রী বিকল্প দায়িত্বে থাকবেন। মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন এবং শিল্প, বস্ত্র ও পাট ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এ দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও সংসদ সচিবালয়ের দায়িত্বে মঈন খান

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খানকে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, জাতীয় সংসদ সচিবালয় এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়-সংক্রান্ত সংসদীয় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অধিবেশনের মধ্যে এই তিন প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে সংসদে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ও কার্যসম্পাদনের দায়িত্ব তার ওপর ন্যস্ত থাকবে।

রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, জাতীয় সংসদ সচিবালয় এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয় রাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভিন্ন ভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ কারণে সংসদে এসব প্রতিষ্ঠানের বিষয় সামনে এলে নির্ধারিত দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর উপস্থিতি প্রশাসনিক সমন্বয় সহজ করতে পারে।

আবদুল মঈন খান অনুপস্থিত থাকলে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিকল্প হিসেবে দায়িত্বগুলো সামলাবেন। প্রজ্ঞাপনে দায়িত্বের এই ধারাবাহিক ব্যবস্থাও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

কেন এই দায়িত্ব বণ্টন প্রয়োজন

সংসদ অধিবেশন শুধু আইন প্রণয়নের ক্ষেত্র নয়; সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন, আলোচনা এবং জবাব দেওয়ারও সাংবিধানিক পরিসর। কোনো দপ্তরে মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী না থাকলে তার সংসদীয় কাজ পরিচালনার জন্য অন্য একজন মন্ত্রীকে দায়িত্ব দেওয়া প্রয়োজন হয়। নতুন ব্যবস্থাটি সেই শূন্যতা পূরণের লক্ষ্যেই নির্ধারিত হয়েছে।

এ ধরনের দায়িত্ব সাধারণত প্রশাসনিক ও সংসদীয় কার্যক্রমের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে। সংসদে কোনো বিষয় উত্থাপিত হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারেন। একই সঙ্গে বিকল্প মন্ত্রী রাখার ফলে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি অনুপস্থিত থাকলেও কার্যক্রম স্থবির হওয়ার ঝুঁকি কমে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ১৭ মার্চ, ৬ এপ্রিল, ১৬ জুলাই এবং ২৩ আগস্ট জারি করা প্রজ্ঞাপনগুলোর অন্য সব বিষয় বহাল থাকবে। অর্থাৎ নতুন নির্দেশনা বিদ্যমান দায়িত্ব কাঠামোর সবকিছু বদলে দিচ্ছে না; বরং নির্দিষ্ট সংসদীয় দায়িত্বের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংযোজন ও বিকল্প ব্যবস্থা তৈরি করছে।

অধিবেশনকালে কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা

নতুন দায়িত্ব বণ্টনের ফলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও প্রতিরক্ষা-সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, জাতীয় সংসদ সচিবালয় এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয় পর্যন্ত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সংসদীয় যোগাযোগ নির্ধারিত মন্ত্রীদের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।

সালাহউদ্দিন আহমেদ ও আবদুল মঈন খানের ওপর অর্পিত দায়িত্ব তাদের নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত দায়িত্বের পাশাপাশি অধিবেশনকেন্দ্রিক অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে কার্যকর হবে। তাদের অনুপস্থিতির জন্যও পৃথক বিকল্প নির্ধারণ করায় সংসদীয় কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা রক্ষার একটি কাঠামো তৈরি হয়েছে।

এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে অধিবেশন চলাকালে যেসব দপ্তরে সরাসরি মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর নিয়োগ নেই, সেসব প্রতিষ্ঠানের সংসদ-সংক্রান্ত কাজ পরিচালনায় দায়িত্বের স্পষ্টতা এল।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is দ য ত ব ব ড ল?

দ য ত ব ব ড ল is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does দ য ত ব ব ড ল matter?

দ য ত ব ব ড ল matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.