বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী / ধর্মের নামে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা হলে প্রতিহত করা হবে
বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর যশোর বার্তা: ধর্মের নামে বিভাজন প্রতিহত হবে
Banglalight.com – ব দ য ৎ প রত মন - ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার দুপুরে যশোরের মুন্সী মেহেরুল্লাহ ময়দানে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত একটা অমোহন ঘোষণা দেন। জেলা, সদর উপজেলা ও পৌর পূজা উদযাপন পরিষদের আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন—ধর্মকে রাজনৈতিক পুঁজিতে রূপান্তর করে সামাজিক অস্থিরতা বা বিভাজন তৈরির যেকোনো চেষ্টা সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করা হবে। হাজারো মানুষের আধ্যাত্মিক আনন্দে মগ্ন সেই মঞ্চে এই বক্তব্য একটা কঠোর সীমানা নির্ধারণের চিহ্ন হিসেবেই পড়তে হবে।
অনুষ্ঠানের প্রেক্ষাপট ও মূল বক্তব্য
সভার উদ্বোধন হয় জাতীয় সংগীত ও পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে। এরপর মূল বক্তব্যে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ধর্মবিশ্বাস বা রাজনৈতিক দর্শন—যা-ই হোক—সম্মিলিতভাবে বিভাজনমূলক চেষ্টার বিরুদ্ধে দাঁড়ানো হবে। একদিকে ধর্মীয় অনুভূতির স্বাধীনতা রক্ষার কথা বলছেন তিনি, অন্যদিকে সেই অনুভূতিকে রাজনৈতিক বাণিজ্যে পরিণত করার বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছেন।
ধর্ম নিছক বিশ্বাস ও চেতনার বিষয়; রাজনীতির মাঠে অনৈতিক সুবিধা লাভের হাতিয়ার হতে পারে না।
জন্মাষ্টমীর প্রকৃত তাৎপর্য নিয়ে তিনি বলেন, এটি কেবল একটা ধর্মীয় উৎসব নয়—এটি গভীর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আধ্যাত্মিক চেতনার উজ্জীবনের দিন। দ্বাপর যুগের অন্ধকারাচ্ছন্ন সময়ে শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব, মথুরার কংসের কারাগারে বন্দিদশার সেই কঠিন পরিস্থিতিতে জন্মের বার্তা—সবকিছুই তিনি তুলে ধরেন।
রাতের অন্ধকার যত গভীরই হোক, ন্যায়ের পথ ধরে মুক্তির আলো আসে। এটাই পরম সত্য।
আশার আহ্বান, রাজনৈতিক দায়িত্ব ও সংখ্যালঘুদের প্রতি আস্থা
সমাজ থেকে সত্য ও বিশ্বাস হারিয়ে গেলেও আশা হারাবে না—এই বার্তাই তার বক্তব্যের মূল সুর। সত্য উন্মোচন, পরস্পরের মধ্যে ভালোবাসা সৃষ্টি এবং ব্যক্তিগত কিংবা গোষ্ঠীগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে শান্তি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সেই আশার আলো জ্বালাতে হবে বলে তিনি জানান। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের কথাও উল্লেখ করে বলেন, সেই অভ্যুত্থানও একই শিক্ষা দিয়েছে—অন্ধকার যতই ঘন হোক, ন্যায়ের পথ শেষে আলো নিয়েই আসে।
রাজনৈতিক দলনির্ভরতা নিয়েও স্পষ্ট কথা বলেন। ক্ষমতায় থাকলেও মানুষের পাশে থাকা, ক্ষমতায় না থাকলেও মানুষের পাশে থাকা—এই শিক্ষা তিনি বিএনপি থেকে পেয়েছেন বলে জানান। ধর্মবিশ্বাসের ভিন্নতার কারণে কোনো মানুষ যেন পিছিয়ে না পড়ে, আবার কেউ যেন অতিরিক্ত সুবিধাও না পায়—সরকার তা নিশ্চিত করতে চায় বলে দাবি করেন।
জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা জানিয়ে বেগম খালেদা জিয়ার জাতীয় সংসদে দেওয়া এক বক্তব্যের উদ্ধৃতি তুলে ধরেন।
কারও ধর্মবিশ্বাস কিংবা রাজনৈতিক দর্শন বিবেচ্য নয়; বাংলাদেশ ভূখণ্ডে বসবাসকারী সবার পরিচয় বাংলাদেশি।
এই উদ্ধৃতির প্রেক্ষিতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি সরাসরি আহ্বান জানান—নিজেদের দুর্বল ভাবার কোনো কারণ নেই। সরকারের একজন প্রতিনিধি হিসেবে যশোরের মাটিতে তার যতখানি অধিকার আছে, স্থানীয় মানুষেরও ঠিক ততখানি অধিকার আছে বলে স্পষ্টভাবে জানান।
সভায় অন্যান্য বক্তা ও আয়োজনের গঠন
বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশিক হাসান,
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is ব দ য ৎ প রত মন?ব দ য ৎ প রত মন is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does ব দ য ৎ প রত মন matter?ব দ য ৎ প রত মন matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.