AMP
Banglalight
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

বিদেশ থেকে বাবার আনা আখরোট দিলো সহপাঠীদের, খেয়ে হাসপাতালে ৭ ছাত্রী

Published September 10, 2026 · Updated September 10, 2026 · By Sarah Garcia - banglalight.com

Foto : Sarah Garcia - banglalight.com

আমতলীতে আখরোট খেয়ে অসুস্থ সাত শিক্ষার্থী, উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠানো

Banglalight.com – ব দ শ থ ক ব ব - বরগুনার আমতলী উপজেলার উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহপাঠীর দেওয়া আখরোট খাওয়ার পর সপ্তম শ্রেণির সাত ছাত্রী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। শ্বাসকষ্ট, অস্থিরতা ও বমির উপসর্গ দেখা দেওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাদের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিদ্যালয়ের সান্ধ্যকালীন কোচিং চলাকালে ঘটনাটি ঘটে। অসুস্থ হওয়া শিক্ষার্থীরা হলো এলমা, সামিয়া, মীম, ফাতেমা, তানিয়া, উর্মি ও মরিয়ম। একই শ্রেণির এসব শিক্ষার্থী আখরোট খাওয়ার কিছু সময়ের মধ্যে একে একে অসুস্থ হয়ে পড়ে।

প্রবাসী বাবার আনা আখরোট বিতরণ

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী বিকেলে তার প্রবাসী বাবার আনা আখরোট বিদ্যালয়ে নিয়ে আসে। পরে সে বন্ধুদের মধ্যে সেগুলো ভাগ করে দেয়। প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন শিক্ষার্থী ওই আখরোট খেয়েছিল বলে জানা গেছে।

কোচিং শুরু হওয়ার পর প্রথমে তিনজন ছাত্রী অসুস্থতার লক্ষণ দেখায়। কিছুক্ষণের মধ্যে আরও কয়েকজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে শিক্ষকরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার উদ্যোগ নেন। অন্য শিক্ষার্থীদের সহায়তায় অসুস্থদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, শিক্ষার্থীদের মধ্যে শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়ার বিষয়টি দেখা দেওয়ার পর দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। এ কারণে কোচিং চলাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়া ছাত্রীদের আর বিলম্ব না করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।

“কোচিং শুরু হলে প্রথমে তিনজন ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে আরও কয়েকজন অসুস্থ হলে মোট সাত ছাত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।”

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সোলাইমান হোসেন বলেন, শুরুতে তিনজনের অসুস্থতার খবর পাওয়া গেলেও পরে অসুস্থ শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে সাতজনে দাঁড়ায়।

প্রাথমিক চিকিৎসার পর বরিশালে রেফার

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর সাত শিক্ষার্থীকে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। তাদের শারীরিক উপসর্গ বিবেচনায় চিকিৎসকেরা উন্নত সেবার প্রয়োজন মনে করেন। রাত পৌনে ১০টার দিকে তাদের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার শুভেন্দু রায় জানান, অসুস্থদের যথাযথ চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত ব্যবস্থাপনার জন্য বরিশালে পাঠানো হয়েছে। হাসপাতালে আসার সময় তাদের মধ্যে শ্বাসকষ্ট, অস্থিরতা এবং বমির মতো উপসর্গ ছিল।

“অসুস্থ শিক্ষার্থীদের যথাযথ চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তারা শ্বাসকষ্ট, অস্থিরতা ও বমির মতো উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছিল।”

সাত শিক্ষার্থীর অসুস্থতার ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, সহপাঠী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। একই খাবার খাওয়া অন্য শিক্ষার্থীদের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে বলে পরিস্থিতি থেকে বোঝা যায়। তবে অসুস্থতার কারণ নিশ্চিত করতে চিকিৎসাগত পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

ফুড পয়জনিংয়ের সম্ভাবনার কথা বলছেন চিকিৎসক

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. হিমেল পাল জানান, অসুস্থ অবস্থায় সাতজন শিক্ষার্থীকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়েছিল। তাদের স্যালাইনসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। তিনি প্রাথমিকভাবে আখরোটে খাদ্যজনিত বিষক্রিয়ার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছেন।

“অসুস্থ অবস্থায় সাত শিক্ষার্থীকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। সম্ভবত আখরোটে কোনো ফুড পয়জনিং হয়েছিল। অসুস্থ শিক্ষার্থীদের স্যালাইনসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে।”

চিকিৎসকের বক্তব্যে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে খাদ্যজনিত বিষক্রিয়ার বিষয়টি উঠে এলেও এটি নিশ্চিত সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি। অসুস্থ শিক্ষার্থীদের উপসর্গ, চিকিৎসার অগ্রগতি এবং প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট খাদ্যদ্রব্য পরীক্ষা—এসবের মাধ্যমে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হতে পারে।

বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে খাবার ভাগাভাগি করা অস্বাভাবিক নয়। তবে কোনো খাদ্য খাওয়ার পর একাধিক শিক্ষার্থী একসঙ্গে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সতর্ক হওয়া জরুরি। এমন পরিস্থিতিতে অসুস্থ ব্যক্তিকে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নেওয়া, কী খাবার খাওয়া হয়েছিল তা মনে রাখার চেষ্টা করা এবং অন্যদের ওই খাবার খাওয়া থেকে বিরত রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

এই ঘটনায় দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া এবং পরে বিশেষায়িত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাত শিক্ষার্থীর চিকিৎসা চলমান থাকায় তাদের শারীরিক অবস্থার পরবর্তী অগ্রগতি চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণের ওপর নির্ভর করবে।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is ব দ শ থ ক ব ব?

ব দ শ থ ক ব ব is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ব দ শ থ ক ব ব matter?

ব দ শ থ ক ব ব matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.