AMP
Banglalight
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ঢাবিতে এইচআরডিএসের কমিটি, সভাপতি সৌরভ-সম্পাদক তানজিলা

Published September 9, 2026 · Updated September 9, 2026 · By Elizabeth Smith - banglalight.com

Foto : Elizabeth Smith - banglalight.com

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এইচআরডিএসের প্রথম শাখা কমিটি ঘোষণা

Banglalight.com – ঢ ব ত এইচআরড এস র কম - মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার্স সোসাইটি (এইচআরডিএস) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো শাখা কমিটি গঠন করেছে। ২০২৬-২৭ সেশনের জন্য ঘোষিত ২৮ সদস্যের এ কমিটির সভাপতি হয়েছেন বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সৌরভ ইসলাম। সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন আইন বিভাগের শিক্ষার্থী তানজিলা হক অপরাজিতা।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সংগঠনটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক সিফাত উল্লাহ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির সদস্যদের নাম প্রকাশ করা হয়। মানবাধিকার সুরক্ষা, অনুসন্ধানধর্মী তথ্য যাচাই, আইনি সহায়তা এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে কমিটি কাজ করবে বলে জানিয়েছেন নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তরা।

নেতৃত্বে যারা

কমিটিতে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হয়েছেন শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের সরোয়ার জাহান। গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের মো. সাব্বিরুল ইসলাম পেয়েছেন জয়েন্ট জেনারেল সেক্রেটারির দায়িত্ব। তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের মো. রাকিবুল হাসান কবির হয়েছেন অর্গানাইজিং সেক্রেটারি।

অফিস সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মাটি, পানি ও পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের মো. তারিফ আহমেদ তুহিন। আরবি বিভাগের মোহাম্মদ ইব্রাহিমকে অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিস সেক্রেটারি করা হয়েছে। ইতিহাস বিভাগের তাশফিয়া তারান্নুম নূর তুশান নির্বাচিত হয়েছেন ট্রেজারার।

ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন সম্পাদক পদে আছেন শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের মাসুমা আক্তার মিমি। তাঁর সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন উর্দু বিভাগের ইমরান বিশ্বাস। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের রুকাইয়া হয়েছেন রিসার্চ সেক্রেটারি এবং আরবি বিভাগের হাসনাত জাহান সিফাত হয়েছেন অ্যাসিস্ট্যান্ট রিসার্চ সেক্রেটারি।

বিভিন্ন অধিকার ও সহায়তা কার্যক্রমে দায়িত্ব

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের রাহুল ত্রিপুরাকে মাইনরিটি রাইটস অ্যাফেয়ার্স সেক্রেটারি করা হয়েছে। বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের ফারজানা বিনতে আঁখি দায়িত্ব পেয়েছেন উইমেন অ্যান্ড চাইল্ড অ্যাফেয়ার্স সেক্রেটারির। আইন বিভাগের লুবাবা মোশলেহি হয়েছেন ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স সেক্রেটারি এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাদ আদনান রনি পেয়েছেন মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন সেক্রেটারির পদ।

উর্দু বিভাগের মো. রাইহান হোসেন ডকুমেন্টেশন সেক্রেটারি, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের আমিনুল ইসলাম মজুমদার প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের আশিক কুমার শীল ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের মাহরিব বিন মহসিন হয়েছেন সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড প্রোগ্রাম সেক্রেটারি।

আইন বিভাগের অংথোয়াইগিয়া মারমা অংকে লিগ্যাল অ্যাফেয়ার্স সেক্রেটারি এবং ফরাসি ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগের কৌলিক আবিদকে ভিকটিম সাপোর্ট সেক্রেটারি করা হয়েছে। নতুন কমিটির দায়িত্বগুলোর মধ্যে মানবাধিকারসংক্রান্ত অভিযোগে সহায়তা, তথ্য নথিবদ্ধ করা, সচেতনতা কার্যক্রম এবং প্রয়োজনীয় আইনি ও সামাজিক সহযোগিতার বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে।

নির্বাহী সদস্যরা

কমিটির এক্সিকিউটিভ মেম্বার হিসেবে রয়েছেন ফরাসি ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগের ইফতেখার সোহান সিফাত, আরবি বিভাগের আরিফুল ইসলাম, দর্শন বিভাগের মেহনাজ হোসেন মাটি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের রওশন আরা আক্তার, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শেখ গালিব আল দ্বীন এবং আরবি বিভাগের তাওহিদুল ইসলাম।

বিভিন্ন বিভাগ থেকে শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্তির ফলে কমিটিতে আইন, গবেষণা, যোগাযোগ, নথিবদ্ধকরণ ও সামাজিক সহায়তাসংক্রান্ত কাজের জন্য বহুমাত্রিক অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে ক্যাম্পাসের মানবিক পরিবেশ ও অধিকারভিত্তিক সচেতনতা জোরদারের প্রত্যাশাও জানানো হয়েছে।

সভাপতির প্রত্যাশা

নতুন শাখার সভাপতি মো. সৌরভ ইসলাম দায়িত্ব পাওয়াকে সম্মানের পাশাপাশি বড় দায়বদ্ধতা হিসেবে দেখছেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়কে মুক্তচিন্তা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং মানবিক মূল্যবোধের চর্চার গুরুত্বপূর্ণ পরিসর হিসেবে উল্লেখ করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় হলো মুক্তচিন্তা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চার প্রধান কেন্দ্র। হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার্স সোসাইটি (এইচআরডিএস) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার প্রথম কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানজনক ও দায়িত্বপূর্ণ। আমরা এমন একটি ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে চাই, যেখানে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মৌলিক ও মানবাধিকার সুরক্ষিত থাকবে।

তিনি জানান, নবগঠিত কমিটি মানবাধিকার সুরক্ষা, ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং, সংখ্যালঘুদের অধিকার, নারী ও শিশুদের অধিকার এবং গবেষণাভিত্তিক উদ্যোগে বিশেষ গুরুত্ব দেবে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সার্বিক সহায়তায় কাজ করার অঙ্গীকারও করেন তিনি।

আমাদের এই নবগঠিত ২৮ সদস্যের কমিটি ক্যাম্পাসে মানবাধিকার সুরক্ষা, ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং, সংখ্যালঘু ও নারী-শিশুদের অধিকার রক্ষা এবং গবেষণাধর্মী কাজের ওপর বিশেষ জোর দেবে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এবং ভিকটিমদের পাশে থেকে সার্বিক সহায়তা প্রদানে আমরা সর্বোচ্চ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একটি বৈষম্যহীন, নিরাপদ ও ন্যায়ভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় সমাজ গঠনে আমরা ঢাবির সাধারণ শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করছি।

সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য

সাধারণ সম্পাদক তানজিলা হক অপরাজিতা বলেন, শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষায় সচেতন ও কার্যকর ভূমিকা রাখাই শাখাটির প্রধান লক্ষ্য। তাঁর ভাষ্যে, মানবাধিকারকে অনুগ্রহ বা বিশেষ সুবিধা হিসেবে নয়, প্রতিটি মানুষের প্রাপ্য মৌলিক অধিকার হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

মানবাধিকার কোনো দয়া বা সুযোগ নয়, এটি প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার। আমাদের মূল লক্ষ্য হবে সাধারণ শিক্ষার্থীদের যে কোনো মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় সোচ্চার হওয়া এবং তাদের জন্য একটি নিরাপদ আইনি ও সামাজিক সুরক্ষা বলয় তৈরি করা।

তিনি বলেন, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত দলটি ক্যাম্পাসে অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা নিয়ে কেবল প্রতিবাদে সীমিত থাকবে না। বস্তুনিষ্ঠ তথ্য অনুসন্ধান, আইনি সহায়তা, ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবাধিকার বিষয়ে সচেতনতা তৈরির জন্য নিয়মিত কর্মসূচি পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

আমাদের এই নবগঠিত টিমটি বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে অত্যন্ত দক্ষ ও প্রতিশ্রুতিশীলভাবে গঠিত হয়েছে। ক্যাম্পাসে মানবাধিকার লঙ্ঘন রোধে আমরা শুধু প্রতিবাদেই সীমাবদ্ধ থাকবো না, বরং বস্তুনিষ্ঠ ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং, আইনি সহায়তা ও ভিকটিম সাপোর্ট নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেবো। পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবাধিকার বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে আমরা নিয়মিত নানামুখী কর্মসূচি পরিচালনা করবো। একটি সচেতন, সোচ্চার ও মানবিক ক্যাম্পাস গঠনে আমরা সবার সহযোগিতা ও পরামর্শ প্রত্যাশা করছি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এইচআরডিএসের প্রথম কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের অধিকার, নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার ও সহায়তার প্রশ্নে সংগঠনটির কার্যক্রমের একটি নতুন পরিসর তৈরি হলো।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is ঢ ব ত এইচআরড এস র কম?

ঢ ব ত এইচআরড এস র কম is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ঢ ব ত এইচআরড এস র কম matter?

ঢ ব ত এইচআরড এস র কম matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.