রামিসার বাসায় প্রধানমন্ত্রী এবং ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে আইনমন্ত্রী নির্দেশ দিলেন
র ম স র ব স য় – রামিসার বাসায় ঘটিত একটি গুরুতর ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর পল্লবীতে রামিসা আক্তারের বাবা-মার সঙ্গে দেখা করতে যাওয়া হয়। মঙ্গলবার (১৯ মে) বৃহস্পতিবার (২১ মে) মন্ত্রিপরিষদ সভা শেষে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী রামিসার বাসায় পৌঁছেছিলেন। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আগামী ৭ দিনের মধ্যে সময়সূচী নির্ধারণ করেছেন।
রামিসার বাসায় ঘটিত ঘটনা সম্পর্কে প্রতিবেদন
সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার রামিসার বাসায় ঘটনার স্থানে অবস্থান করেছিলেন। দুই ব্যক্তি কৌশলে মেয়েটিকে নিজেদের কক্ষে নিয়ে আসেন। এ ঘটনার কারণে রামিসা আক্তার শিশুটি ফ্ল্যাটে ডেকে নিয়ে বাথরুমে নিয়ে যাওয়া হয়। সোহেল রানা ইয়াবা প্রভাবিত হওয়ায় মেয়েটি আক্রমণ করেন। তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে লাশ গুম করা হয়।
শিশুটি পুলিশ কমিশনার ঢাকা মহানগর এজাহার করেছিলেন। সাড়ে ৯টার দিকে ঘটনার স্থানে মেয়েটি পাওয়া যায়। তার বাবা-মার কাছে ধর্ষণের পর হত্যা ঘটে। ঘটনার সম্পূর্ণ বিবরণ কার্যত রামিসার বাসায় একটি সীমাবদ্ধ স্থানে ঘটেছে এবং তা প্রতিবেশীদের দ্বারা তদন্ত করা হয়।
স্বীকারোক্তি এবং আদালতের প্রক্রিয়া
বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ সোহেল রানা এর জবানবন্দি রেকর্ড করেন। তিনি বলেন যে ঘটনার সময় তার বিকৃত যৌন লালসা জেগে ওঠে। তার বাবা-মাকে জানানোর পর মেয়েটি হত্যা করা হয়।
লাশ গুম করতে সোহেল তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে লাশ গলা থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করেছিলেন। যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে তিনি তার মেয়ের মস্তকবিহীন লাশ নিয়ে ঘটনার সূত্র ছুটি করেছেন। সোহেল এবং তার স্ত্রী মিলিত হয়ে ঘটনার সম্পূর্ণ কাহিনী সুরক্ষিত করেছেন।
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। রামিসার বাসায় ঘটিত এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত মোল্লা আবদুল হান্নান তদন্ত করেন। পুরো প্রক্রিয়া মোল্লা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার একত্রে করেন।
পুলিশ কমিশনার �